নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলী - স্বপ্ন আর অদম্য ইচ্ছাশক্তি থাকলে কোনও বাধাই যে বড় নয়, তা আবারও প্রমাণ করলেন রাজমিস্ত্রির মেয়ে ঋতু মণ্ডল। সীমিত সামর্থ্যকে সঙ্গী করেই বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরলেন নিজের দক্ষতার পরিচয়। বিশ্ব যোগাসন চ্যাম্পিয়নশিপে তাঁর দুরন্ত সাফল্যে গর্বিত বাংলা। এখন তাঁর এই জয় অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে অসংখ্য তরুণ-তরুণীর কাছে।
প্রথমবার আমেদাবাদে অনুষ্ঠিত বিশ্ব যোগাসন চ্যাম্পিয়নশিপে ৭০টি দেশের প্রায় ৫০০ প্রতিযোগী অংশ নিয়েছেন। ভারতীয় দলের ১২২ সদস্যের মধ্যে একমাত্র ঋতুই ট্র্যাডিশনাল যোগায় ব্যক্তিগত ও দলগত দুই বিভাগেই সোনা জিতে নজির গড়লেন। আমেদাবাদ থেকেই ফোনে ঋতু জানান, এর আগে এশিয়ান যোগাসনে পদক জিতলেও রাজ্য সরকারের তরফে কোনও স্বীকৃতি পাননি। এবার ঋতুর আশা, নতুন সরকার তার এই সাফল্যের যথাযথ স্বীকৃতি দেবে।
রাজমিস্ত্রির মেয়ে ঋতুর সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছে দীর্ঘ সংগ্রামের গল্প। তাঁর দাদা গৌতম মণ্ডল একসময় যোগাসন করলেও আর্থিক অভাবের কারণে খেলা ছেড়ে কোচিং ও ফিজিওথেরাপির কাজ শুরু করেন। বর্তমানে তিনিই ঋতুর কোচ। বাংলায় পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা না পেয়ে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে উত্তর প্রদেশের গালগোটিয়াস বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতিতে অনার্স পড়ছেন ঋতু। মাসে ১৩ হাজার টাকার বৃত্তির টাকায় পড়াশোনা ও অনুশীলনের খরচ চালিয়ে আজ তিনি বিশ্বসেরা।
ঋতুর সাফল্যের পাশাপাশি এই বিশ্ব আসরে বাংলায় এসেছে আরও একাধিক পদক। আসানসোলের অভয় বর্মণ ট্র্যাডিশনাল বিভাগে ও তাঁর কোচ কৌশিক দাস হ্যান্ড ব্যালেন্স বিভাগে সোনা জিতেছেন। ব্যাক বেন্ডিং ইভেন্টে রুপোর পদক পেয়েছেন টিনা খাতুন। এখন ভবিষ্যতে অলিম্পিকে যোগাসন অন্তর্ভুক্ত হলে দেশের হয়ে সোনা জেতাই ঋতুর সবচেয়ে বড় স্বপ্ন।
শান্তি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর ফের সংঘর্ষের আবহ, পালটা আক্রমণেও সক্রিয় তেহরান
বঙ্গোপসাগরে ডুবে গেল শরণার্থী বোঝাই দু’টি নৌকা, মৃতদের মধ্যে মহিলা ও শিশুরাও থাক...
দমন-পীড়নের অভিযোগে উত্তাল পাক অধিকৃত কাশ্মীর, পরিস্থিতি সামাল দিতে অতিরিক্ত বাহ...
একটি রেস্টুরেন্টে বসে খাবার খাওয়ার সময় আচমকাই ভেঙে যায় একটি চেয়ার
দুই ভারতীয় নৌকর্মীর মৃত্যু, হরমুজ প্রণালী দিয়ে উদ্বেগ কেন্দ্রের