নিজস্ব প্রতিনিধি , দিল্লি - 'এক দেশ-এক ভোট' প্রকল্প নিয়ে শুরু হয়েছে জোরদার আলোচনা। এতদিন মনে করা হচ্ছিল, এই ব্যবস্থা চালু হতে আরও অনেক সময় লাগবে। তবে এবার যৌথ সংসদীয় কমিটির তরফে নতুন ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। ২০২৯ সাল থেকেই এই নীতি কার্যকর করার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে দেশের নির্বাচনী ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের আভাস মিলছে। বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহল ও প্রশাসনিক স্তরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।
বর্তমানে 'এক দেশ-এক ভোট' সংক্রান্ত বিলটি যৌথ সংসদীয় কমিটির কাছে রয়েছে। কমিটি বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞদের মতামত নিচ্ছে। প্রাক্তন নির্বাচন কমিশনার, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও আলোচনা চলছে। গোয়ায় আয়োজিত দু’দিনের বৈঠকের পর কমিটির চেয়ারম্যান পি পি চৌধুরী গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন। তাঁর দাবি, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাওয়া অধিকাংশ মতামত ২০২৯ সালের মধ্যেই এই ব্যবস্থা চালুর পক্ষে। তিনি জানান, কমিটি দ্রুত রিপোর্ট তৈরির চেষ্টা করছে। সেই রিপোর্ট সংসদের আসন্ন অধিবেশনে জমা পড়তে পারে। এরপর বিলটি সংসদে পেশ হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রথম ধাপে লোকসভা ও সমস্ত রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন একসঙ্গে করা হবে। তারপর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পঞ্চায়েত ও পুরসভার ভোট অনুষ্ঠিত হবে। তবে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে একটি বড় প্রশ্ন রয়েছে। তা হল বিভিন্ন রাজ্যের বিধানসভার মেয়াদ। কারণ দেশের সব রাজ্যে একই সময়ে নির্বাচন হয় না। এই বিষয়ে পি পি চৌধুরী জানান, একটি নির্দিষ্ট সময়সীমাকে সামনে রেখে ভোটের ক্যালেন্ডার তৈরি করা হবে।
প্রয়োজন হলে কয়েকটি রাজ্যে স্বল্প মেয়াদের বিধানসভা গঠন করা হতে পারে। কোথাও আবার মেয়াদে কিছু পরিবর্তন আনা হতে পারে। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, যেসব রাজ্যের নির্বাচন ২০৩০ থেকে ২০৩৩ সালের মধ্যে হওয়ার কথা, তাদের ক্ষেত্রে সীমিত সময়ের জন্য বিধানসভা গঠন করা যেতে পারে। এরপর পরবর্তী নির্বাচন লোকসভার ভোটের সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়া হবে। সেই কারণেই পশ্চিমবঙ্গ-সহ একাধিক রাজ্যের বর্তমান নির্বাচনী চক্রে পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
পি পি চৌধুরীর মতে, এই ব্যবস্থা চালু হলে নির্বাচনী ব্যয় অনেকটাই কমবে। তাঁর দাবি, একসঙ্গে ভোট হলে বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ সাশ্রয় করা সম্ভব। সেই অর্থ দেশের উন্নয়নমূলক কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে। পাশাপাশি বারবার নির্বাচন হওয়ায় প্রশাসনিক কাজে যে প্রভাব পড়ে, সেটিও কমবে। যদিও বিরোধী শিবিরের একাংশ এখনও এই পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। তা সত্ত্বেও কমিটি বিভিন্ন পক্ষের মতামত খতিয়ে দেখছে। সব দিক বিবেচনা করেই চূড়ান্ত সুপারিশ তৈরির কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
রাইফেল ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা! পুলিশের পাল্টা গুলিতে জখম অপরাধী, হাসপাতালে মৃত্যু
ভোররাতে অগ্নিকাণ্ডে আতঙ্ক, যাত্রীদের তৎপরতায় এড়ানো গেল বড় বিপদ
পশুর কারণে দুর্ঘটনা বৃদ্ধি নিয়ে ক্ষোভ, মালিকদের দায়িত্ব মনে করিয়ে দিল শীর্ষ আদালত
২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তায় পেশাদার সংস্থা নিয়োগের ভাবনা, পরীক্ষা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের পথে পরীক্ষক সংস্থা
নার্সিংহোমে মৃত ঘোষণা, রাস্তার গর্তে চাকা পড়তেই চোখ খুললেন অন্ধ্রপ্রদেশের মহিলা
প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকায় বিরাট জালিয়াতি! অনিল আম্বানির ঘাড়ে সিবিআইয়ের এফআইআর
ব্যক্তিস্বার্থ ছাড়ার ডাক, পুণের মঞ্চে দেশ গঠনের আহ্বান জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার
জাতীয় নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার স্বীকৃতি, ডোভালের প্রশংসায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
স্ত্রীর মিথ্যে আর পরকীয়ার ভয়ানক ফাঁদ! জামনগরে থ্রিলার কায়দায় খুন
জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে বিপুল বরাদ্দ, সমুদ্রতলে অনুসন্ধানে নতুন উদ্যোগ মোদি সরকারের
প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও নিয়ে অভিজিৎ দীপকের প্রশ্ন, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবি
আরও ৫ বছর চলবে যোজনা, আর্থিক সহায়তায় বড় বরাদ্দ মোদি সরকারের
প্রয়াত মাকে অপমানের অভিযোগ, ভিডিও বার্তায় ছাত্র-যুবদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর শান্তির বার্ত
যন্তর মন্তরের ঘটনার পর ভিডিও বার্তা, নিজেকে ১৫ বছরের দাবি করলেও এফআইআরে বয়স ২৫
দিল্লির পড়ুয়া আন্দোলন ঘিরে শুরু হওয়া বিতর্কে, লোকসভায় বিস্ফোরক মন্তব্য বারামুলার সাংসদ ইঞ্জিনিয়র রশিদের
শান্তি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর ফের সংঘর্ষের আবহ, পালটা আক্রমণেও সক্রিয় তেহরান
বঙ্গোপসাগরে ডুবে গেল শরণার্থী বোঝাই দু’টি নৌকা, মৃতদের মধ্যে মহিলা ও শিশুরাও থাক...
দমন-পীড়নের অভিযোগে উত্তাল পাক অধিকৃত কাশ্মীর, পরিস্থিতি সামাল দিতে অতিরিক্ত বাহ...
একটি রেস্টুরেন্টে বসে খাবার খাওয়ার সময় আচমকাই ভেঙে যায় একটি চেয়ার
দুই ভারতীয় নৌকর্মীর মৃত্যু, হরমুজ প্রণালী দিয়ে উদ্বেগ কেন্দ্রের