নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - প্রকৃতির সবচেয়ে শক্তিশালী ও বিধ্বংসী শক্তিগুলোর একটি হলো ঘূর্ণিঝড়। বিশাল সমুদ্রের বুক চিরে তৈরি হওয়া এই ঘূর্ণিঝড় শুধু আবহাওয়ার পরিবর্তনই আনে না, বরং মানুষের জীবন ও জীবিকার ওপরও ফেলে গভীর প্রভাব। তাই প্রতিটি ঘূর্ণিঝড়কে সহজে চেনার জন্য দেওয়া হয় একটি নাম—একটি পরিচয়। কিন্তু অনেকেরই প্রশ্ন, এই নামগুলো কে দেয়, কিভাবে ঠিক হয়, আর কেনই বা প্রয়োজন হয় নাম দেওয়ার?

আগে ঘূর্ণিঝড়গুলোকে তারিখ বা ভৌগোলিক অবস্থানের মাধ্যমে চিহ্নিত করা হতো, যেমন “১৯৭০ সালের ঘূর্ণিঝড়” বা “বঙ্গোপসাগরের ঝড়”। এতে সাধারণ মানুষের পক্ষে ঘূর্ণিঝড় চেনা ও মনে রাখা কঠিন হতো। কিন্তু নাম দেওয়ার পর যখন বলা হয় “অম্ফান আসছে” বা “আইলা আঘাত হেনেছে”, তখন মানুষ সহজেই বুঝে নিতে পারে কোন ঝড়ের কথা বলা হচ্ছে। এটি তথ্য প্রচার, সচেতনতা এবং উদ্ধার কার্যক্রমে বিশেষ সহায়তা করে।

ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণের দায়িত্ব পালন করে বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) এবং ESCAP (Economic and Social Commission for Asia and the Pacific) –এর যৌথ উদ্যোগে গঠিত Regional Specialized Meteorological Centre (RSMC), New Delhi । এটি পরিচালনা করে ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর (IMD)।

এই অঞ্চলের ১৩টি দেশ ঘূর্ণিঝড়ের নাম প্রস্তাব করে। দেশগুলো হলো—বাংলাদেশ, ভারত, মায়ানমার, মালদ্বীপ, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, ইরান, ওমান, কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ইয়েমেন। প্রতিটি দেশ ১৩টি করে নাম দেয়, এবং সেই তালিকা অনুযায়ী একের পর এক নাম ব্যবহার করা হয়।

ঘূর্ণিঝড়ের নাম হতে হবে সংক্ষিপ্ত, সহজ উচ্চারণযোগ্য এবং সাংস্কৃতিকভাবে সংবেদনশীল নয়। নামগুলো পুরুষ বা নারী নিরপেক্ষ হতে পারে। কোনো নাম একবার ব্যবহৃত হলে তা পুনরায় ব্যবহার করা হয় না, অর্থাৎ “অম্ফান” বা “ফণী” নাম আবার দেওয়া যাবে না। ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর নতুন ঘূর্ণিঝড় তৈরি হলে তালিকা অনুযায়ী পরবর্তী নামটি ঘোষণা করে।

এই অঞ্চলের ইতিহাসে বহু স্মরণীয় ঘূর্ণিঝড় রয়েছে। যেমন, “আইলা” , “ফণী” ও “নিসর্গ” —তিনটি নামই প্রস্তাব করেছিল বাংলাদেশ। আবার “অম্ফান” নামটি দিয়েছিল থাইল্যান্ড, এবং “তাউকতে” নামটি এসেছিল মায়ানমার থেকে। এসব নাম আজও মানুষের মনে গেঁথে আছে তাদের প্রভাবের কারণে।
ঘূর্ণিঝড়ের নাম শুধু একটি চিহ্ন নয়, এটি প্রকৃতির প্রতি মানুষের জ্ঞান ও প্রস্তুতির প্রতীক। প্রতিটি নামের পেছনে আছে একেকটি দেশের সাংস্কৃতিক ছোঁয়া, আবহাওয়াবিদদের পরিকল্পনা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রতি সচেতনতার বার্তা।
ভিড় এড়িয়ে প্রকৃতির কোলে শান্ত সময় কাটান
গত বছরের ডিসেম্বর মাসে সুন্দরবনের প্রায় ৪,১০০ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বাঘ গণনার কাজ করা হয়
নিরিবিলি পরিবেশে প্রকৃতির মাঝে কাটান কয়েকটি দিন
নিরিবিলি পাহাড়ে প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য
স্বাধীনতা দিবসের ছুটিতে মন্দারমণিতে বিনোদনের বিশেষ আয়োজন
আবেদন করার পরও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছায়নি
প্রাচীন এক্তেশ্বর শিব মন্দিরে মহাদেব বরফ দিয়ে সাজানো
শান্ত পরিবেশের টানে বাড়ছে পর্যটকদের ভিড়
ভিড় থেকে দূরে কয়েক দিন কাটানোর জন্য অনন্য জায়গা
শান্তি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর ফের সংঘর্ষের আবহ, পালটা আক্রমণেও সক্রিয় তেহরান
বঙ্গোপসাগরে ডুবে গেল শরণার্থী বোঝাই দু’টি নৌকা, মৃতদের মধ্যে মহিলা ও শিশুরাও থাক...
দমন-পীড়নের অভিযোগে উত্তাল পাক অধিকৃত কাশ্মীর, পরিস্থিতি সামাল দিতে অতিরিক্ত বাহ...
একটি রেস্টুরেন্টে বসে খাবার খাওয়ার সময় আচমকাই ভেঙে যায় একটি চেয়ার
দুই ভারতীয় নৌকর্মীর মৃত্যু, হরমুজ প্রণালী দিয়ে উদ্বেগ কেন্দ্রের