নিজস্ব প্রতিনিধি , গুজরাত - সুরাট শহর থেকে প্রায় কুড়ি কিলোমিটার দূরে আরব সাগরের ধারে অবস্থিত এই সমুদ্রসৈকত। সাধারণ সৈকতের মতো এখানে সোনালি বালি নয়। বরং দেখা যায় গাঢ় কালচে বালির বিস্তার। সন্ধে নামতেই পরিবেশ ধীরে ধীরে নিস্তব্ধ হয়ে যায়। এমনকি পর্যটকের উপস্থিতিও খুব কমে আসে। সমুদ্রের ঢেউ আর হালকা হাওয়া মিলিয়ে তৈরি হয় এক রহস্যময় শান্ত পরিবেশ।
বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যায় বলা হয় বালির মধ্যে থাকা খনিজ উপাদান এই কালচে রঙের কারণ। স্থানীয়দের মধ্যে বহু বছর ধরে প্রচলিত কাহিনি আছে যে এখানে এক সময় শ্মশান ছিল। সে সময়ের ছাই বালির সঙ্গে মিশে এর রঙ পরিবর্তন করেছে বলে বিশ্বাস করেন সবাই। বলতে গেলে, এইসব গল্প সৈকতটিকে ঘিরে কৌতূহল ক্রমশ বাড়িয়ে তোলে পর্যটকদের মনে।

জানা গেছে , সূর্যাস্তের পর এখানে কুকুরের অস্বাভাবিক ডাক শোনা যায়। তবে আশপাশে কিছু না থাকলেও সেই শব্দের উৎস নিয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। অনেক পর্যটক জানান, হাওয়ায় ফিসফিস শব্দের মতো অদ্ভুত অনুভূতিও তৈরি হয়। এই কারণেই সন্ধ্যার পর সৈকতটি প্রায় জনশূন্য হয়ে পড়ে।
সেই কারণে ডুমাস বিচে ঘুরতে গেলে দিনের বেলাতেই সময় কাটানো সবচেয়ে উপযুক্ত। সূর্যাস্ত, কালো বালি আর সমুদ্রের দৃশ্য মিলিয়ে এক অনন্য অভিজ্ঞতা উপভোগ করতে পারবেন। তবে সন্ধের পর নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে সতর্ক থাকা জরুরি, তবেই ভ্রমণ হবে স্বস্তির।
প্রায় ৭৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ মেগা হাইওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা
একের পর এক আইনি চাপে অভিষেক
৪ বছরেরও বেশি লড়াই, ইতিহাসের পাতায় উঠে এল ইউক্রেন যুদ্ধ
এখনই এক হচ্ছে না কংগ্রেস ও তৃণমূল স্পষ্ট বার্তা কংগ্রেস নেতৃত্বের
৮ হাজার উঁচুতে মানুষের দীর্ঘ লাইন! এভারেস্টের বেহাল দশা দেখে ক্ষোভে ফুঁসছেন শেরপ...