নিজস্ব প্রতিনিধি , বাঁকুড়া - বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই ভক্তি, শ্রদ্ধা ও উৎসবের আবহে মেতে উঠেছে জয়রামবাটি। মহাধুমধামের মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে সারদা দেবীর ১৭৩তম জন্মতিথি। প্রতিবছর দেশ বিদেশ থেকে হাজার হাজার ভক্ত আশীর্বাদ লাভের আশায় এখানে উপস্থিত হয়।জলপাইগুড়ি রামকৃষ্ণ মিশনে ভোর থেকেই আয়োজিত হয়েছে বিশেষ পুজোপাঠ ও নানা ধর্মীয় অনুষ্ঠান।

ব্রহ্মমুহূর্ত থেকেই মন্দির প্রাঙ্গণে শুরু হয়েছে বিশেষ পূজোপাঠ, মঙ্গল আরতি, যজ্ঞ, নানা ভক্তিমূলক অনুষ্ঠান। ভক্তিমূলক সংগীত, চণ্ডীপাঠ, স্তোত্রোচ্চারণ সহ সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় চারপাশ জুড়ে তৈরি হয়েছে পবিত্র, ভক্তিময় পরিবেশ। প্রতি বছরের ন্যায় এই বছরেও দেশ বিদেশ থেকে অগণিত ভক্তের সমাগম ঘটেছে। সকাল থেকেই দীর্ঘ সারিতে মন্দিরে প্রবেশ করছেন পূণ্যার্থীরা। অপরদিকে জলপাইগুড়ি রামকৃষ্ণ মিশনে সানন্দে উদযাপিত হচ্ছে সারদাদেবীর নামস্তুতি, বৈদিক পাঠ সহ বিশেষ হোম যজ্ঞ। উভয়ক্ষেত্রেই প্রসাদের আয়োজন হয়েছে আগত সকল দর্শনার্থীদের জন্য।

আশ্রমের মহারাজ পরমউপানন্দ জানান ," প্রতিবছরের মতো এই বছরেও মায়ের স্তুতিপাঠ, নাম গান সহ বেদপাঠের দ্বারা দিন শুরু হয়েছে। সারদা বিদ্যাপিঠ স্কুল থেকে শোভাযাত্রা সূচনা হয়েছিল যেখানে অংশগ্রহণ করে অগণিত মানুষ , ছাত্রীরা, বহুভক্ত। সারাদিনব্যাপী ভক্তিগীতি, লীলাগীতি , ওড়িশি নৃত্য , নানা রকম সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলবে, চলবে ধর্মমহাসভা। রহড়া, বেলুড় থেকে সন্ন্যাসী আসবেন সারদাদেবীর নামকীর্তন করতে। তিনদিন ধরে চলে সারদা মেলা। দামোদরের ধারে গঙ্গা আরতি করবেন হরিদ্বারের পূজারী ।"

আশ্রমে আগত বহু ভক্ত নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করে। দর্শনার্থী মঞ্জু পাল জানিয়েছেন ," অনেক পুণ্যের ফলে আসতে পেরেছি, এতটা আনন্দ বলে প্রকাশ করতে পারবো না। মনে অদ্ভুত শান্তি অনুভব হয়। বহু দূর থেকে আসছি, কোনো কষ্টই হচ্ছে। সারদাদেবীর জন্মতিথিতে আসতে পেরেছি, এর থেকে বড়ো উপহার আর কিছু হতে পারে না ।"
মাটি সংগ্রহে হয়রানি কমানোর আশা দেন বিধায়ক
কলস যাত্রা, পূজা-অর্চনা ও অন্নকূটের আয়োজনকে ঘিরে ধর্মীয় উৎসবের আবহ
বাসিনা গ্রামে উল্টো রথ উপলক্ষ্যে উৎসবের মিলনমেলা
শান্তি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর ফের সংঘর্ষের আবহ, পালটা আক্রমণেও সক্রিয় তেহরান
বঙ্গোপসাগরে ডুবে গেল শরণার্থী বোঝাই দু’টি নৌকা, মৃতদের মধ্যে মহিলা ও শিশুরাও থাক...
দমন-পীড়নের অভিযোগে উত্তাল পাক অধিকৃত কাশ্মীর, পরিস্থিতি সামাল দিতে অতিরিক্ত বাহ...
একটি রেস্টুরেন্টে বসে খাবার খাওয়ার সময় আচমকাই ভেঙে যায় একটি চেয়ার
দুই ভারতীয় নৌকর্মীর মৃত্যু, হরমুজ প্রণালী দিয়ে উদ্বেগ কেন্দ্রের