নিজস্ব প্রতিনিধি , উত্তর ২৪ পরগণা - আদালতের নির্দেশ না মেনে পৈতৃক সম্পত্তি জবরদখল করে নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে প্রোমোটারদের বিরুদ্ধে। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে হালিশহরের বাঁধাঘাট এলাকায়। অভিযোগ, পুলিশ ও প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েও কোনও সুরাহা মেলেনি। বর্তমানে সপরিবারে আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে গুরুতর প্রশ্ন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাঁধাঘাট এলাকার বাসিন্দা জ্যোতির্ময় দত্ত পরিবার নিয়ে বসবাস করেন। দাবি, বাড়ির পাশের এক অংশে তাঁর প্রায় ৬০ ফুট জায়গা রয়েছে। যার মধ্যে প্রায় ১৪ ফুট এলাকা জোরপূর্বক দখল করা হয়। প্রথমে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির নিষ্পত্তি করার চেষ্টা করা হলেও তাতে কোনও ফল মেলেনি। এরপর বাধ্য হয়ে ২০২৪ সাল থেকে বিষয়টি নিয়ে উচ্চ আদালতে মামলা দায়ের করা হয় এবং বর্তমানে সেখানে ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, আইনকে অগ্রাহ্য করে নিতাই পাল ও তিনকড়ি বর্মণ নামে ২ ব্যক্তি প্রায় ৪ মাস আগে সেখানে নির্মাণকাজ শুরু করেন। ভুক্তভোগীর দাবি, একাধিকবার প্রশাসনের কাছে যাওয়ার পরও কোনও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এমনকি বিদ্যুৎ দফতর বিতর্কিত স্থানে সংযোগ প্রদান করে। সংশ্লিষ্ট আধিকারিককে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়টি তাঁর নিজস্ব দায়িত্ব, এ নিয়ে অন্য কারও হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয়।
জ্যোতির্ময় দত্তের আক্ষেপ, প্রায় ৬০ বছরের পুরনো এই বাস্তুভিটে রক্ষার স্বার্থে তিনি পুরসভা, মহকুমা শাসক এবং জেলা পুলিশ সুপার-সকলকেই বহুবার লিখিতভাবে বিষয়টি জানিয়েছেন। তবুও কোনও সহায়তা মেলেনি বলে অভিযোগ। উল্টে নির্মীয়মাণ বহুতলের মালিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তাঁর সহযোগীরা দুর্ব্যবহার করে প্রসঙ্গটি এড়িয়ে যান। পাশাপাশি, রাতের অন্ধকারে নিয়মিত কাজ চলার কথাও জানানো হয়েছে।

কখনও কোনও সরকারি প্রতিনিধি সেখানে পৌঁছালেও প্রোমোটারের সঙ্গে গোপন সমঝোতার মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ। প্রশাসনের এই ভূমিকার ফলে বিচার পাওয়ার আশায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন আক্রান্ত পরিবার। তাঁদের প্রশ্ন, দালিলিক প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও কীভাবে আদালতের স্থগিতাদেশ উপেক্ষা করে কাজ চলছে। যেখানে জমির সীমানা নির্ধারণের কথা, সেখানে বেআইনি দখলদারির জেরে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে।
ভুক্তভোগী জ্যোতির্ময় দত্ত বলেন, 'আমার কাছে সমস্ত বৈধ নথি রয়েছে। তার পরেও ১৪৪ ধারা জারি থাকা অবস্থায় কীভাবে নির্মাণ শুরু হয়, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলায় আমাকে ভয় দেখানো হয়েছে। প্রশাসনের কেউ এসে নিরপেক্ষভাবে সব কিছু খতিয়ে দেখুক। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। কাজের অনুমতিপত্র দেখতে চাইলে কেউ তা দেখাতে পারেনি। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে? প্রশাসনের উপর আস্থা রাখার জায়গা আর নেই'।
নিরাপত্তার জন্য পোশাক ব্যবহারে নজরদারি
রাসায়নিক পদ্ধতি ছাড়া দেশীয় ধানের চাষে জোর
সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে জানান রত্না দেবনাথ
ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়
উদ্ধার নগদ ৩ কোটি টাকা
বাড়তি খরচে ক্ষতির মুখে পাট চাষীরা
রবিবার সিউড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয় টুলু মণ্ডলের ম্যানেজারকে
হাওড়া থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে আদিত্যকে
উদ্ধার ১৮ হাজার কাফ সিরাপের বোতল
ধারালো অস্ত্রের হামলায় মৃত্যু আতাবুদ্দিনের, অভিযুক্তদের খোঁজে পুলিশের তল্লাশি
ঘটনার পর অভিযুক্ত নিজেই মাধবপুর থানায় আত্মসমর্পণ করে
রহস্যজনক এই লেনদেনের পর অ্যাকাউন্টও বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম উদ্বেগে দিন কাটছে গোটা পরিবার
ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এলাকায়
অতিরিক্ত দাম সহ অনিয়মের অভিযোগের মধ্যেই রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন বাজারে অভিযান চালাল এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ সহ পুলিশ
গত বছরের ডিসেম্বর মাসে সুন্দরবনের প্রায় ৪,১০০ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বাঘ গণনার কাজ করা হয়
শান্তি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর ফের সংঘর্ষের আবহ, পালটা আক্রমণেও সক্রিয় তেহরান
বঙ্গোপসাগরে ডুবে গেল শরণার্থী বোঝাই দু’টি নৌকা, মৃতদের মধ্যে মহিলা ও শিশুরাও থাক...
দমন-পীড়নের অভিযোগে উত্তাল পাক অধিকৃত কাশ্মীর, পরিস্থিতি সামাল দিতে অতিরিক্ত বাহ...
একটি রেস্টুরেন্টে বসে খাবার খাওয়ার সময় আচমকাই ভেঙে যায় একটি চেয়ার
দুই ভারতীয় নৌকর্মীর মৃত্যু, হরমুজ প্রণালী দিয়ে উদ্বেগ কেন্দ্রের