নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - রোজের খাবারের পাতে ফল না থাকলে অনেকেরই দিন সম্পূর্ণ হয় না। আপেল, আম, লিচু বা তরমুজের পাশাপাশি এখন আবার ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হচ্ছে কিছু পুরনো দেশি ফল। একসময় গ্রামবাংলার উঠোন কিংবা বাগানে সহজেই পাওয়া যেত এই ফল। বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বল্প-পরিচিত হওয়ায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই ফলের চাষে কম ব্যবহার হয় রাসায়নিক বা কীটনাশক।
বর্তমানে শহুরে জীবনে জায়গার অভাবে সেই সব গাছ প্রায় হারিয়ে গেলেও, খাদ্যগুণে আজও সমান সমৃদ্ধ এই ফলগুলি। ফলে স্বাদ ও পুষ্টিগুণ থাকে প্রায় অক্ষুণ্ণ। গরমের দিনে শরীর ঠান্ডা রাখা থেকে শুরু করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো নানা গুণে ভরপুর এই দেশি ফলগুলি। টক-মিষ্টি স্বাদের পাশাপাশি প্রতিটি ফলেই রয়েছে আলাদা পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা।
রামফল - দেখতে অনেকটা টম্যাটোর মতো হলেও, রামফল আসলে আতা ফলেরই আত্মীয়। মোটা খোসার ভিতরে থাকে নরম সাদা শাঁস, যার স্বাদ অত্যন্ত মিষ্টি ও ক্রিমের মতো নরম। অনেকেই মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খেতে পছন্দ করেন। গরমের দিনে এই ফল শরীরে শক্তি জোগাতেও সাহায্য করে।
করমচা - ছোট্ট লাল-সাদা এই ফলের টক-মিষ্টি স্বাদ একেবারেই আলাদা। নুন মাখিয়ে খাওয়া হোক কিংবা আচার দুইভাবেই জনপ্রিয় করমচা। এতে রয়েছে প্রচুর আয়রন ও ভিটামিন সি, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। গরম ও শুষ্ক আবহাওয়ায় সহজেই জন্মায় এই গাছ।
লাসোদা বা গুন্ডি - থোকায় থোকায় হওয়া এই ছোট ফলকে অনেকে ‘ইন্ডিয়ান চেরি’ বলেও চেনেন। রাজস্থানে বেশি দেখা মিললেও এখন নানা জায়গায় ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হচ্ছে লাসোদা। এই ফল দিয়ে সুস্বাদু আচার তৈরি করা যায়। অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর এই ফল শরীরে শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
ফলসা - গরমকালের পরিচিত কিন্তু এখন অনেকটাই হারিয়ে যাওয়া ফল ফলসা। ছোট বেগুনি রঙের এই ফল শরীর ঠান্ডা রাখতে বিশেষ উপকারী। ফলসার শরবত গ্রীষ্মে বেশ জনপ্রিয়। এছাড়াও এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে এবং শরীরকে সতেজ রাখে।
প্রায় ৭৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ মেগা হাইওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা
একের পর এক আইনি চাপে অভিষেক
৪ বছরেরও বেশি লড়াই, ইতিহাসের পাতায় উঠে এল ইউক্রেন যুদ্ধ
এখনই এক হচ্ছে না কংগ্রেস ও তৃণমূল স্পষ্ট বার্তা কংগ্রেস নেতৃত্বের
৮ হাজার উঁচুতে মানুষের দীর্ঘ লাইন! এভারেস্টের বেহাল দশা দেখে ক্ষোভে ফুঁসছেন শেরপ...