নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া - কালী কার্তিকের সময়টা এলেই গোটা শহর জেগে ওঠে আলোর মেলায়, ধূপের গন্ধে, আর ঢাকের তালে। অসংখ্য কালীপুজোর মধ্যে এক বিশেষ স্থান দখল করে আছে ‘হট নগর কালীপুজো’। যার সঙ্গে জড়িয়ে আছে প্রায় সাড়ে চারশো বছরের পুরোনো এক অলৌকিক গল্প।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কালী কার্তিকের শহর বললে প্রথমেই মনে আসে বাঁকুড়া জেলার প্রাচীন পৌরশহর সোনামুখীর নাম।লোককথায় জানা যায়, একসময় এই জনপদ ছিল জঙ্গলাকীর্ণ, আর বিনিময় প্রথাই ছিল জীবিকার উপায়। সেই সময়ের এক বৃদ্ধা, তারিণী সূত্রধর, প্রতিদিন চিড়ে বিক্রি করতে যেতেন পাশের গ্রামে। ফিরতি পথে এক খালের ধারে বিশ্রাম নিতে নিতে দেখা মিলত এক লাল পাড় শাড়ি পরা শ্যামাঙ্গী মেয়ের। প্রতিদিনই সে বৃদ্ধাকে অনুরোধ করত , “আমাকে সঙ্গে নিয়ে চলো।”

একদিন সত্যিই বৃদ্ধা রাজি হলেন। কিন্তু মাঝপথে মেয়েটি হাঁটতে না পেরে বলল, “আমাকে তোমার ঝুড়িতে তুলে নাও।” বৃদ্ধা তাই করলেন। বাড়ি ফিরে দেখলেন, মেয়েটি নেই, তার বদলে রয়েছে দুটি পাথর। ভয় পেয়ে তিনি সেগুলো তুলসী তলায় রেখে দেন। সেই রাতে স্বপ্নে মেয়েটি এসে বলে, “আমি মা কালী, আমায় আকর গাছের নিচে রেখে পূজা কর।” পরদিন সকালেই পাড়ার মানুষদের জানানো হয় ঘটনাটা। প্রথমে জাতপাতের কারণে কেউ পুজো করতে চাননি। কিন্তু পুরোহিত অসুস্থ হয়ে পড়লে তিনিও স্বপ্নাদেশ পান এবং পুজো শুরু হয়। স্থানীয় জমিদার কাদম্বরী দেবী জমি দান করেন, আর সেখান থেকেই শুরু হয় ‘হট নগর কালীপুজো’।

আজও সেই আকর গাছটি অটুট আছে, যার নিচে দেবীর পাথররূপে পূজা হয়। আশ্চর্যের বিষয়, স্থানীয়রা বলেন, ঋতু বদলালে পাথরগুলির রঙও বদলে যায়। মন্দিরের গঠনও অনন্য। মূল মন্দিরের সামনে দেখা যায় এক মনোমুগ্ধকর মূর্তি , মাথায় ধানের ঝুড়িতে চেপে মা কালী আসছেন তারিণী সূত্রধরের সঙ্গে। পাশে হট যোগীর মূর্তি, তারও ওপরে শিব, আর সর্বোচ্চে একটি পদ্মফুল, যা দূর থেকেও দৃশ্যমান।

আজও সূত্রধর পরিবারের সদস্যরাই ঘট আনার অধিকার রাখেন। সারা বছর সেই ঘট মন্দিরে রাখা হয়, এবং বার্ষিক পুজোর সময় বিসর্জন দিয়ে নতুন ঘট আনা হয়।নামকরণ নিয়েও রয়েছে মতভেদ। কেউ বলেন, এক যোগী এখানে সিদ্ধিলাভ করেছিলেন, তাই ‘হট নগর’। আবার অনেকে মনে করেন, মা কালী ‘হঠাৎ নগরে’ আগমন করেছিলেন বলেই এই নাম।

পুজো কমিটির সম্পাদক দেবমাল্য হালদার জানান, “ভাতৃদ্বিতীয়ার আগের দিন হাজার হাজার মানুষ সমবেত হন এই পুজোয়। প্রথা মেনে সেদিন সবাইকে খিচুড়ি খাওয়ানো হয়।”
শিলিগুড়ি থেকে মিরিক পর্যন্ত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন
দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ
ফুটপাথ থেকে দোকান উচ্ছেদ ঘিরে ক্ষোভ বিক্রেতাদের
গ্রেফতারের পর আদালতে নিয়ে যাওয়ার পথে ডিম ছুঁড়লো বিক্ষুব্ধ জনতা
ভিড় সামলাতে মোতায়েন করা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী
পুনর্বাসনের দাবি হকারদের, রুজি-রুটি নিয়ে বাড়ছে অনিশ্চয়তা
অবরোধে স্তব্ধ রাজ্য সড়ক
উদয়ন গুহকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হতে পারে বলে অনুমান
তোলাবাজির অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের
যদিও ইস্তফা দেওয়ার কোনো কারণ জানাননি তৃণমূল নেতা
বুধবার ফুলবাগান থেকে গ্রেফতার করা হয় উদয়ন গুহকে
ফুলিয়ায় ছাত্রীদের বিক্ষোভ
মাঝরাতে নদীয়ার কল্যাণীর বড়জাগুলিতে পুলিশের জালে ধরা পড়ে তারা
৫ লক্ষ টাকার বিনিময়ে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ
উদয়ন গুহকে ট্রানজিট রিমান্ডে দিনহাটা নিয়ে যাওয়া হবে
প্রায় ৭৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ মেগা হাইওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা
একের পর এক আইনি চাপে অভিষেক
৪ বছরেরও বেশি লড়াই, ইতিহাসের পাতায় উঠে এল ইউক্রেন যুদ্ধ
এখনই এক হচ্ছে না কংগ্রেস ও তৃণমূল স্পষ্ট বার্তা কংগ্রেস নেতৃত্বের
৮ হাজার উঁচুতে মানুষের দীর্ঘ লাইন! এভারেস্টের বেহাল দশা দেখে ক্ষোভে ফুঁসছেন শেরপ...