নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - সাত সাত দশকের প্রাচীন ও ব্যতিক্রমী ‘শুয়োরে কালী’ পূজো ঘিরে তৈরি হয়েছে চরম ধর্মীয় উন্মাদনা। পূর্বতন পূর্ব পাকিস্তান থেকে বয়ে আনা এই পূজোর বিচিত্র সব আচার দেখতে প্রতি বছর বুদ্ধ পূর্ণিমা তিথিতে হাজার হাজার মানুষের ভিড় উপচে পড়ে পাবাখালী গ্রামের চূর্ণী নদীর তীরে। এই উপলক্ষ্যে মন্দির সংলগ্ন এলাকায় বসেছে বিশাল মেলা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , এই পূজোর আদি উৎস অধুনা বাংলাদেশের রাজশাহী জেলার নওদা গ্রাম। উদ্যোক্তা সুফল রায়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৯৫৪ সালে তার বাবা বিজয় রায় ওপার বাংলা থেকে এসে পাবাখালীতে বসবাস শুরু করেন। কথিত আছে, মায়ের স্বপ্নাদেশ পেয়েই তিনি এই স্থানে পূজোর সূচনা করেন। আশ্চর্যের বিষয় হলো, বর্তমানে বাংলাদেশ ও ভারত— উভয় প্রান্তেই এই পরিবারের সদস্যরা একই তিথিতে পূজো করেন। ওপার বাংলায় পূজো শেষ হওয়ার সংকেত মণ্ডপে ‘সয়াল’ বা ঐশ্বরিক বার্তার মাধ্যমে এসে পৌঁছালে তবেই কৃষ্ণগঞ্জের পাবাখালীতে পূজোর প্রস্তুতি শুরু হয়।
আধুনিক বিজ্ঞানের যুগেও অলৌকিক এই বিশ্বাসকে আঁকড়ে ধরে মেতে ওঠেন গ্রামবাসী ও ভক্তরা। এখানে কোনো প্রতিমা পূজিত হয় না। চূর্ণী নদী থেকে কলসি করে জল এনে বসানো হয় মঙ্গলঘট, যাকে ঘিরেই চলে আরাধনা। প্রথা মেনে বলি দেওয়া হয় শুয়োর। পূজোর বিশেষ আকর্ষণ হলো ভক্তদের শারীরিক কষ্ট দূর করতে পূজারির ‘সয়াল’ ও ঝাড়ফুঁক। বলিদান শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই বিশেষ প্রক্রিয়া চলতে থাকে। দূর-দূরান্ত থেকে আসা পুণ্যার্থীরা তাদের মনস্কামনা পূরণের জন্য এখানে শুয়োর, পায়রা কিংবা ডালি অর্ঘ্য হিসেবে নিবেদন করেন।
মানত পূর্ণ হওয়া ভক্ত রিমা দে জানান, 'সন্তান লাভের আশায় মা ও মাসি আমার জন্য এখানে মানত করেছিলেন। আজ আমি পুত্র সন্তানের মা হয়ে কৃতজ্ঞতা জানাতে এসেছি। এখানকার মা খুব জাগ্রত, মনে বিশ্বাস নিয়ে কিছু চাইলে মা কাউকে খালি হাতে ফেরান না। আমি তার জলজ্যান্ত সাক্ষী'।
পূজোর অন্যতম সেবক প্রণব রায় বলেন, 'আমাদের এখানকার মা অত্যন্ত জাগ্রত। যে যা মানত করেন, তা ফলে যায় বলেই প্রতি বছর ভিড় বাড়ছে। এখন বিজয় রায়ের মেজো ছেলে পচা রায় পূজোর দায়িত্ব পালন করেন। মানুষের এই অগাধ বিশ্বাসই সাত দশক ধরে এই ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রেখেছে'।
দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ
ফুটপাথ থেকে দোকান উচ্ছেদ ঘিরে ক্ষোভ বিক্রেতাদের
গ্রেফতারের পর আদালতে নিয়ে যাওয়ার পথে ডিম ছুঁড়লো বিক্ষুব্ধ জনতা
ভিড় সামলাতে মোতায়েন করা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী
পুনর্বাসনের দাবি হকারদের, রুজি-রুটি নিয়ে বাড়ছে অনিশ্চয়তা
অবরোধে স্তব্ধ রাজ্য সড়ক
উদয়ন গুহকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হতে পারে বলে অনুমান
তোলাবাজির অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের
যদিও ইস্তফা দেওয়ার কোনো কারণ জানাননি তৃণমূল নেতা
বুধবার ফুলবাগান থেকে গ্রেফতার করা হয় উদয়ন গুহকে
ফুলিয়ায় ছাত্রীদের বিক্ষোভ
মাঝরাতে নদীয়ার কল্যাণীর বড়জাগুলিতে পুলিশের জালে ধরা পড়ে তারা
৫ লক্ষ টাকার বিনিময়ে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ
উদয়ন গুহকে ট্রানজিট রিমান্ডে দিনহাটা নিয়ে যাওয়া হবে
রোগীর কাছ থেকে টাকা তুলে ধৃত কর্মী
প্রায় ৭৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ মেগা হাইওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা
একের পর এক আইনি চাপে অভিষেক
৪ বছরেরও বেশি লড়াই, ইতিহাসের পাতায় উঠে এল ইউক্রেন যুদ্ধ
এখনই এক হচ্ছে না কংগ্রেস ও তৃণমূল স্পষ্ট বার্তা কংগ্রেস নেতৃত্বের
৮ হাজার উঁচুতে মানুষের দীর্ঘ লাইন! এভারেস্টের বেহাল দশা দেখে ক্ষোভে ফুঁসছেন শেরপ...