নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - সরকারি প্রকল্পের নামে আত্মসাৎ করা অর্থ ফেরতের দাবিতে প্রাক্তন তৃণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ জানালেন গ্রামবাসীরা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে ভীমপুর এলাকায়। চাপে পড়ে শেষ পর্যন্ত বাসিন্দাদের পাওনা ফিরিয়ে দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন অভিযুক্তের স্বামী। বিষয়টিকে ঘিরে ফের অস্বস্তিতে ঘাসফুল শিবির।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাগবেড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা অসীমা মণ্ডল একজন তৃণমূল কর্মী ও আইসিডিএস কর্মী। তিনি ও তার স্বামী মানিক মণ্ডলের বিরুদ্ধে আবাস যোজনার ঘর পাইয়ে দেওয়ার নামে টাকা তোলার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, বাড়ি দেওয়ার নামে এলাকার একাধিক দরিদ্র পরিবারের কাছ থেকে ৫ হাজার, ১০ হাজার, এমনকি ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। ঘর পাওয়ার আশায় অনেকেই সুদে টাকা ধার করে সেই অর্থ দিয়েছিলেন। কিন্তু পরিবর্তে কোনও বাড়ি মেলেনি বলে অভিযোগ।

টাকা ফেরত চাইতে গেলে উল্টে হুমকি দেওয়া হতো বলেও দাবি করেছেন অভিযোগকারীরা। শুধু আবাসন প্রকল্প নয়, এই বিতর্কের মাঝেই অসীমা মণ্ডলের আইসিডিএস চাকরি নিয়েও নতুন প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ, পরীক্ষায় পাস না করেও তিনি কীভাবে এই চাকরি পেলেন তা তদন্ত করে দেখা উচিত। বর্তমান প্রধান মালা মণ্ডলও সেই দাবি তুলেছেন। একের পর এক অভিযোগ সামনে আসতেই ক্ষোভ ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়।
বৃহস্পতিবার পাওনা ফেরতের দাবিতে ক্ষুব্ধ মানুষজন অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। প্রথমে অসীমা মণ্ডল সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন। তাঁর দাবি, দলের কেউ তাঁদের নাম ভাঙিয়ে এই কাজ করে থাকতে পারে। তবে পরে তাঁর স্বামী মানিক মণ্ডল পুলিশের তলব পেয়ে সামনে আসেন। তিনি বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলেন। ধাপে ধাপে সমস্ত টাকা ফিরিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেন। একইসঙ্গে বিস্ফোরক দাবি করেন, ওপরের নির্দেশে পার্টি কালেকশন বা দলীয় তহবিলের জন্য টাকা নেওয়া হতো। সেই অর্থের একটি বড় অংশ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হাতেও তুলে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
অভিযোগকারী জয়ন্তী দাস বলেন, 'ঘর দেওয়ার নামে টাকা নেওয়া হয়েছিল। পরে ঘরও পাইনি। টাকা ফেরত চাইতে গেলে হুমকি দেওয়া হয়েছে। তাই বাধ্য হয়ে থানায় অভিযোগ করেছি'।
এই প্রসঙ্গে অভিযুক্ত মানিক মণ্ডল বলেন, 'পার্টির জন্য টাকা নেওয়া হয়েছে, এটা একদম সত্য কথা। তবে আমি বা আমার স্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে নিজেদের পকেটে কোনও টাকা নিইনি। ওপর থেকে স্পষ্ট নির্দেশ ছিল ঘর প্রতি ৫ হাজার টাকা করে পার্টি কালেকশন করার। আমার স্ত্রী অসীমা তখন প্রধান সাহেবের শরণাপন্ন ছিল। দলীয় নির্দেশেই তারা এই কাজগুলো করত। সংগ্রহ করা সমস্ত অর্থ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া হতো'।
বাগবেড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বর্তমান প্রধান মালা মণ্ডল বলেন, 'অনেক মানুষের কাছ থেকেই একই ধরনের অভিযোগ পেয়েছি। এমনকি ওনার বিরুদ্ধে আরও কিছু অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। পুলিশ প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নিক, সেটাই চাই'।
শিলিগুড়ি থেকে মিরিক পর্যন্ত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন
রক্তাক্ত পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র , পলাতক অভিযুক্ত
দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ
ফুটপাথ থেকে দোকান উচ্ছেদ ঘিরে ক্ষোভ বিক্রেতাদের
গ্রেফতারের পর আদালতে নিয়ে যাওয়ার পথে ডিম ছুঁড়লো বিক্ষুব্ধ জনতা
ভিড় সামলাতে মোতায়েন করা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী
পুনর্বাসনের দাবি হকারদের, রুজি-রুটি নিয়ে বাড়ছে অনিশ্চয়তা
অবরোধে স্তব্ধ রাজ্য সড়ক
উদয়ন গুহকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হতে পারে বলে অনুমান
তোলাবাজির অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের
যদিও ইস্তফা দেওয়ার কোনো কারণ জানাননি তৃণমূল নেতা
বুধবার ফুলবাগান থেকে গ্রেফতার করা হয় উদয়ন গুহকে
ফুলিয়ায় ছাত্রীদের বিক্ষোভ
মাঝরাতে নদীয়ার কল্যাণীর বড়জাগুলিতে পুলিশের জালে ধরা পড়ে তারা
৫ লক্ষ টাকার বিনিময়ে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ
প্রায় ৭৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ মেগা হাইওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা
একের পর এক আইনি চাপে অভিষেক
৪ বছরেরও বেশি লড়াই, ইতিহাসের পাতায় উঠে এল ইউক্রেন যুদ্ধ
এখনই এক হচ্ছে না কংগ্রেস ও তৃণমূল স্পষ্ট বার্তা কংগ্রেস নেতৃত্বের
৮ হাজার উঁচুতে মানুষের দীর্ঘ লাইন! এভারেস্টের বেহাল দশা দেখে ক্ষোভে ফুঁসছেন শেরপ...