নিজস্ব প্রতিনিধি , নদীয়া - পেশায় স্কুল শিক্ষক। পুরোনো টালির বাড়ি। শিক্ষকতা করেই সংসার চালান। মুখে সবসময় লেগে থাকত চওড়া হাসি। বছর কুড়ি আগে ঠাকুরদার থেকে পায়রা পোষার নেশা লেগে যায়। ব্যাস , তারপর থেকে আর কে আটকায়। তখন থেকেই পায়রাপ্রেমী হয়ে উঠলেন। বছর কুড়ি ধরে এই পায়রা প্রেমেই যে পাতা ছিল মরণফাঁদ তা কোনোভাবেই টের পাননি। বিষয়টা ভীষণই জটিল।
বর্তমানে অরিন্দম বাবুর ছাদে সাদা , ধূসর , বাদামি মিলিয়ে প্রায় ৮০ টা পায়রা। তবে তার মালিক নেই। প্রতিদিন ভোরেই মালিক দানার হাঁড়ি হাতে ছাদে আসতেন। নিজের সন্তানদের মতই নাম রেখেছিলেন তাদের। বাঁশের খোপ সহ খড়ের বিছানাও বানিয়েছিলেন নিজের হাতে। সবই যখন ঠিকঠাক চলছিল ঠিক তখনই জীবনে নেমে এল চরম অন্ধকার।
একদিন হঠাৎই হালকা কাশি শুরু হয়। ঠাণ্ডা লেগেছিল ভেবে হোমিওপ্যাথি বড়ি খেলেন। ঠিক তো হলই না , বরং কাশি আরও ঘন হল। রাতে ঘুমের ঘোরে কাশি , হাঁটলে হাঁপানি। স্ত্রী জিজ্ঞেস করেছিলেন , অতিরিক্ত পায়রার সঙ্গে থাকার জন্য এমন হচ্ছে কী? প্রশ্নটা ভীষণই ভিত্তিহীন বলে মনে করেন। একদিন স্কুলে চরম কাশি হওয়ায় সহকর্মীরা হাসপাতালে নিয়ে যান।
এক্স-রে, HRCT, রক্তপরীক্ষা সব করানো হয়। ডাক্তার দেখে ডাক্তার ভ্রু কুঁচকে বললেন, chronic hypersensitivity pneumonitis-এ আক্রান্ত অরিন্দম। যা পাখি থেকেই হয়।ডাক্তারি ভাষায় এই রোগের নাম Bird Fancier’s Lung যা একধরনের ক্রনিক হাইপারসেন্সিটিভ নিউমোনাইটিস। এর কারণ পাখির পালক, মল, শুকনো ধুলো যেগুলো চোখে দেখা যায় না, কিন্তু নিঃশ্বাসের সঙ্গে ঢুকে ফুসফুসের টিস্যুতে ক্ষতি করে। এরপর রোগ বাড়ল। স্টেরয়েড, ইনহেলার, অক্সিজেন সিলিন্ডার সবই এল।
একদিন হঠাৎই স্ত্রী ঘরে ঢুকে দেখেন স্বামীর নিথর দেহটি। কাছে এসে দেখেন হৃদপিন্ড ওঠা নামা করছেনা। কিছুক্ষণ চুপ করে বসে থাকলেও হাউহাউ করে কেঁদে ফেলেন তিনি। গল্প থেকে একটাই শিক্ষা যে সবকিছুই সীমিত জায়গায় থাকা উচিত। আসলে ডাক্তারবাবু বলেছিলেন, " ভালবাসা যখন সীমা ছাড়িয়ে যায় , তখন কোনটা বিষ কোনটা অমৃত তা বোঝা দায় হয়ে ওঠে।"
স্যোশাল মিডিয়ায় এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। একজন বলেছেন , "২৫ বছর ধরে পায়রা পুষেও কোনো রোগ হয়নি আমার। তাই এটা মানতে পারলাম না।" কেউ বলেছেন, " নিশ্চই তার অন্য রোগ ছিল।" আবার কেউ বলেছেন, " ডাক্তার কখনও ভুল বলতে পারেনা। পাখি থেকে রোগ ছড়াতেই পারে , এখানে না হওয়ার কিছু নেই।"
বর্তমানে NIA হেফাজতে রয়েছেন শওকত মোল্লা
মুর্শিদাবাদের দৌলতাবাদে মর্মান্তিক ঘটনা, তদন্তে পুলিশ
একাধিক অভিযোগ ঘিরে বিক্ষোভ , উত্তেজনা এলাকাজুড়ে
প্রতি লরি পিছু ৫০০ টাকা দাবির অভিযোগ, বাধা দিতে গিয়ে জখম বালি ঘাটের কর্মী
চতুর্থ দিনেও কাজ বন্ধ রেখে আন্দোলন, বকেয়া বেতন মেটানোর দাবি
রফতানি কম ও ভালো ফলনের জেরে জলপাইগুড়িতে কমেছে আমের দাম, বেড়েছে চাহিদা
তৃণমূল কাউন্সিলরের অভিযোগের ভিত্তিতে পদক্ষেপ
দলকে তার এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন গৌতম দেব
গ্রেফতার অভিযুক্ত যুবক
সন্তানকে বাঁচাতে মায়ের আপ্রাণ চেষ্টা, শেষরক্ষা হল না নয়াগ্রামে
ভাঙড়ে মেছো ভেড়ির সালিশি সভায় তুলকালাম, আইএসএফ-এর উপস্থিতিতেই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ
শিলিগুড়ি থেকে মিরিক পর্যন্ত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন
রক্তাক্ত পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র , পলাতক অভিযুক্ত
দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ
ফুটপাথ থেকে দোকান উচ্ছেদ ঘিরে ক্ষোভ বিক্রেতাদের
প্রতিরক্ষা রপ্তানিতে নতুন জোয়ার! ফিলিপাইন্সের পর এবার ভিয়েতনামের শক্তি বাড়াতে চ...
বঙ্গোপসাগরে পাকিস্তানের ‘হাঙর’! ভারতের পূর্ব উপকূলে চিনা সাবমেরিনের নয়া চ্যালেঞ্...
মালয়েশিয়া থেকে ভারতে ফেরানো হল ২ খলিস্তানি জঙ্গিকে! পঞ্জাবে নাশকতার মামলায় বড় স...
দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে সতর্ক তেল আবিব! পাকিস্তানের ভূমিকাতেও প্র...
ছেলের স্বপ্নপূরণের সাক্ষী হতে এবার বিশ্বকাপে মা, ভিসা জট কাটাল আমেরিকা