নিজস্ব প্রতিনিধি , দক্ষিণ ২৪ পরগণা - রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর পলাতক জাহাঙ্গীর খান-সহ তার কথিত ‘বাইক বাহিনী’। এই আবহে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন ফলতার বাসিন্দারা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তবে দীর্ঘদিনের অত্যাচারের ক্ষত এখনও বয়ে বেড়াচ্ছেন স্থানীয়রা। নতুন প্রশাসনের কাছে এবার স্বাভাবিক পরিবেশ ফেরার আশা দেখছেন সাধারণ মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত কয়েক বছর ধরে ফলতা এলাকায় একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল জাহাঙ্গীর খানের। বিরোধীদের ওপর হামলা, মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো, তোলাবাজি, ব্যবসায়ীদের হুমকি দেওয়ার মতো নানা অভিযোগে বিদ্ধ সে। এছাড়াও স্থানীয়দের দাবি, তার নির্দেশ ছাড়া এলাকায় কোনো কাজ হতো না। কেউ মুখ খুললেই তাকে দলীয় কার্যালয়ে নিয়ে গিয়ে মারধর করা হতো। এমনকি মহিলাদের ওপর অত্যাচারের অভিযোগও তুলেছেন অনেকে। এই দমবন্ধ করা পরিস্থিতির জেরে বহু মানুষ এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন।
জাহাঙ্গীরের লোকজন ফলতার বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলেও তোলাবাজির রাজত্ব কায়েম করেছিল। যার ফলে একাধিক কারখানা বন্ধ হয়ে কর্মহীন হয়ে পড়েন বহু শ্রমিক। ২০২১ সালের নির্বাচন পরবর্তী হিংসা থেকে শুরু করে পুজোর সময় জয় শ্রী রাম গান বাজানো- সবক্ষেত্রেই জাহাঙ্গীরের বাহিনীর চরম দাপট ছিল বলে সরব হয়েছেন ভুক্তভোগীরা। তবে জাহাঙ্গীর পলাতক থাকলেও আগামী ২১ মে পুনর্নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাপা উত্তেজনা রয়েছে।
বিজেপি সমর্থক সনৎ মণ্ডল বলেন, ‘২০১৯ সাল থেকে ফলতার পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ ছিল। যারা বিরোধী দল করত, তাদের ভোট দিতে দেওয়া হতো না। ঘরবাড়ি ভেঙে দেওয়া হতো। আমি দীর্ঘ ৭ বছর ঘরছাড়া ছিলাম। ভোটের জন্য এখন এলাকায় এসেছি। আমরা চাই সবাই এবার শান্তিতে থাকুক ও নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারুক’।
অন্যদিকে ভুক্তভোগী সৌমিত্র পুর্কায়েত জানান, ‘আমি যুব সাথির টাকা পাইনি বলে ভোট দেব না জানিয়েছিলাম। তার জেরে ৫০ জন লোক পাঠিয়ে আমাকে ভয় দেখানো হয়েছিল। সবকিছু জাহাঙ্গীরের নির্দেশেই হতো। এমনকি আমাদের ২ কাঠা জমিতে জোর করে পুকুর কাটিয়ে মাছ চাষ করা হতো, যার ধারেকাছে আমরা ঘেঁষতে পারতাম না। নতুন সরকারের ওপর আমাদের ভরসা আছে, ভোট মিটে গেলে এবার শান্তি পাব’।
দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ
ফুটপাথ থেকে দোকান উচ্ছেদ ঘিরে ক্ষোভ বিক্রেতাদের
গ্রেফতারের পর আদালতে নিয়ে যাওয়ার পথে ডিম ছুঁড়লো বিক্ষুব্ধ জনতা
ভিড় সামলাতে মোতায়েন করা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী
পুনর্বাসনের দাবি হকারদের, রুজি-রুটি নিয়ে বাড়ছে অনিশ্চয়তা
অবরোধে স্তব্ধ রাজ্য সড়ক
উদয়ন গুহকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হতে পারে বলে অনুমান
তোলাবাজির অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের
যদিও ইস্তফা দেওয়ার কোনো কারণ জানাননি তৃণমূল নেতা
বুধবার ফুলবাগান থেকে গ্রেফতার করা হয় উদয়ন গুহকে
ফুলিয়ায় ছাত্রীদের বিক্ষোভ
মাঝরাতে নদীয়ার কল্যাণীর বড়জাগুলিতে পুলিশের জালে ধরা পড়ে তারা
৫ লক্ষ টাকার বিনিময়ে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ
উদয়ন গুহকে ট্রানজিট রিমান্ডে দিনহাটা নিয়ে যাওয়া হবে
রোগীর কাছ থেকে টাকা তুলে ধৃত কর্মী
প্রায় ৭৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ মেগা হাইওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা
একের পর এক আইনি চাপে অভিষেক
৪ বছরেরও বেশি লড়াই, ইতিহাসের পাতায় উঠে এল ইউক্রেন যুদ্ধ
এখনই এক হচ্ছে না কংগ্রেস ও তৃণমূল স্পষ্ট বার্তা কংগ্রেস নেতৃত্বের
৮ হাজার উঁচুতে মানুষের দীর্ঘ লাইন! এভারেস্টের বেহাল দশা দেখে ক্ষোভে ফুঁসছেন শেরপ...