নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলী - বেতন বৃদ্ধি, সময়মতো মাইনে এবং সরকারি সুযোগ সুবিধার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষোভ জমছিল অস্থায়ী সাফাই কর্মীদের মধ্যে।একাধিকবার পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানিয়েও সুরাহা না মেলায় এবার আন্দোলনের পথে হাঁটলেন তারা।কাজ বন্ধ রেখে টানা চারদিন ধরে বিক্ষোভে সামিল হলেন বাঁশবেড়িয়া পৌরসভার অস্থায়ী সাফাই কর্মীরা।
স্থানীয় সূত্রের খবর, হুগলীর বাঁশবেড়িয়া পৌরসভায় প্রায় ৭০০ থেকে ৮০০ জন অস্থায়ী শ্রমিক কাজ করেন।তাদের মধ্যে একাংশের বেতন জমা পড়লেও অনেক শ্রমিক এখনও বেতন পাননি।সেই কারণেই গত সোমবার থেকে পৌর এলাকা জুড়ে কাজ বন্ধ রেখে বিক্ষোভ শুরু করেন শ্রমিকরা।বৃহস্পতিবার চতুর্থ দিনেও পৌরসভার সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখান তারা। এছাড়াও অস্থায়ী সাফাই কর্মীদের অভিযোগ,সরকারি ছুটি, দুর্গাপুজো,কার্তিক পুজো,বিভিন্ন মেলা ও অনুষ্ঠান উপলক্ষে তাদের দিয়ে অতিরিক্ত কাজ করানো হয়।কিন্তু তার জন্য আলাদা পারিশ্রমিক দেওয়া হয় না।বহুদিন ধরে এই দাবি পৌরসভাকে জানানো হলেও সমস্যার সমাধান হয়নি।তাদের দাবি বর্তমান মজুরিতে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।তাই মজুরি বৃদ্ধি করতে হবে এবং মাসের প্রথম দিকেই বেতন দিতে হবে।ঘটনাস্থলে যান বিজেপির মণ্ডল সভাপতি সুরেশ চৌধুরী এবং বাঁশবেড়িয়া মিলফাঁড়ির পুলিশ।আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত বেতন সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়।পাশাপাশি শ্রমিকদের কাজে যোগ দেওয়ার জন্যও অনুরোধ করা হয়।তবে দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন বিক্ষোভরত সাফাই কর্মীরা।ফলে বাঁশবেড়িয়া পৌর এলাকায় পরিষেবা স্বাভাবিক হতে আরও কিছুটা সময় লাগতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
ঘটনা প্রসঙ্গে বাঁশবেড়িয়া বিজেপির মন্ডল সভাপতি সুরেশ চৌধুরী বলেন,'আমরা কথা বলেছি।দুপুর ১ টার দিকে আসবো।ইও সাহেব থাকবেন, এফও ম্যাডাম থাকবেন,বড়বাবুও থাকবেন।আমরা এনাদেরকে নিয়ে এনাদের যে ডিমান্ড আছে তা নিয়ে সবার সাথে বসবো।যেন এদের পেমেন্টটা টাইমে হয়।এনাদের মেন দাবি আছে এদের ১০ তারিখের মধ্যে পেমেন্ট হওয়ার কথা কিন্তু ওই পেমেন্টটা কোনোদিন টাইমে হচ্ছে না। তাই জন্য এদের সংসার চালাতে,মুদিখানার মালপত্র এসবে পেমেন্ট দিতে খুব অসুবিধা হচ্ছে।এদেরও ছোট ছোট বাচ্ছা আছে, স্কুলে পড়ে,টিউশন পড়ে।খুব অসুবিধার মধ্যে এদের সংসার চলছে।আরও একাধিক দাবি রয়েছে।বেতন বৃদ্ধি,পোশাক,আইডি কার্ড।ওনারা বলেছেন দাবিগুলো তোমরা লিখে রেখো,আমরা গিয়ে ওখানে কথা বলছি।আজকে যদি ১টার সময় সব মিটে যায় তাহলে কালকে থেকে এরা সবাই কাজ করবে'।
ড্রাইভার স্বরূপ মন্ডলের বক্তব্য,'আমাদের মন্ডল সভাপতি এসেছিলেন এবং প্রশাসনিক দিক থেকে পুলিশরা এসেছিলেন।তারা এসে আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন যে আজ দুপুর ১২টা পর্যন্ত তোমরা তোমাদের কাজ চালিয়ে যাও।আমরা বললাম যে আমাদের কিছুজনের মাইনে দিয়েছে এবং কিছুজনের মাইনে দেয়নি।আমরা কাজ করবোনা দাবি না মেটা পর্যন্ত।আমরা ড্রাইভাররা কেউ মাইনে পাইনি।আমরা কোনো সময়ই কাজকে দীর্ঘক্ষণ আটকে রাখতে চাইনি।আমরাও চাই যে কাজটা সুষ্ঠভাবে হোক।যে ধর্মঘটটা করেছি আমরা অন্যায়ভাবে কোনো কিছু করিনি।আমরা আমাদের পেটের তাগিদে ধর্মঘটটা করেছি।আমার বাড়িতেও চারজন পাঁচজন করে ফ্যামিলি আছে।সেই ফ্যামিলিদের দুটো অন্ন জোগাড় করার জন্য আমরা এই কাজটাকে বেছে নিয়েছিলাম'।
মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ
অতিরিক্ত দাম না নেওয়ার কড়া বার্তাও দেন বিধায়ক
আশাকর্মীদের বিক্ষোভ ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়
ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়
পরীক্ষা শেষের ১৫ মিনিট আগে তন্ময় অসুস্থ হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে যায়
৫০০ বোতল নিষিদ্ধ এসকাফ কাশির সিরাপ উদ্ধার
বাকি রাস্তা এখনও ভাঙাচোরা মোরাম অবস্থাতেই পড়ে রয়েছে
নিরাপত্তার জন্য পোশাক ব্যবহারে নজরদারি
রাসায়নিক পদ্ধতি ছাড়া দেশীয় ধানের চাষে জোর
সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে জানান রত্না দেবনাথ
ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়
উদ্ধার নগদ ৩ কোটি টাকা
বাড়তি খরচে ক্ষতির মুখে পাট চাষীরা
রবিবার সিউড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয় টুলু মণ্ডলের ম্যানেজারকে
শান্তি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর ফের সংঘর্ষের আবহ, পালটা আক্রমণেও সক্রিয় তেহরান
বঙ্গোপসাগরে ডুবে গেল শরণার্থী বোঝাই দু’টি নৌকা, মৃতদের মধ্যে মহিলা ও শিশুরাও থাক...
দমন-পীড়নের অভিযোগে উত্তাল পাক অধিকৃত কাশ্মীর, পরিস্থিতি সামাল দিতে অতিরিক্ত বাহ...
একটি রেস্টুরেন্টে বসে খাবার খাওয়ার সময় আচমকাই ভেঙে যায় একটি চেয়ার
দুই ভারতীয় নৌকর্মীর মৃত্যু, হরমুজ প্রণালী দিয়ে উদ্বেগ কেন্দ্রের