নিজস্ব প্রতিনিধি , হাওড়া - বিহার বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফলের প্রভাব বাংলার রাজনীতিতে পড়বে কিনা এই প্রশ্ন ঘিরে যখন তোলপাড় বঙ্গ রাজনীতি। তখন স্পষ্ট অবস্থান নিলেন সিপিএম নেত্রী বৃন্দা কারাত। তিনি স্পষ্ট জানান, বিহারের পরিস্থিতি ও বাংলার রাজনৈতিক সংস্কৃতি সম্পূর্ণ আলাদা। পাশাপাশি বিহার ভোটে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়েও কড়া প্রশ্ন তুললেন তিনি।
শনিবার থেকে দুই দিনব্যাপী শুরু হয়েছে সিপিএম পরিচালিত অল ইন্ডিয়া ডেমোক্র্যাটিক উইমেনস অ্যাসোসিয়েশনের ২৯তম হাওড়া জেলা সম্মেলন। সেই কর্মসূচিতেই যোগ দিয়ে এই বিস্ফোরক মন্তব্য করেন বৃন্দা কারাত। শুক্রবার বিহারের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরই এনডিএ জোট ক্ষমতায় ফেরার পথ তৈরি করে। এই আবহেই সিপিএম নেত্রী বৃন্দা কারাত বলেন, 'বাংলার মানুষ জাতপাত বা ধর্মের ভিত্তিতে রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন না। তাই বিহারের ফলাফলের কোনও প্রভাব ছাব্বিশের বাংলার নির্বাচনে পড়বে না। বিহারে জাতপাতের রাজনীতি করেই বিজেপি ক্ষমতায় ফিরে এসেছে।'
একইসঙ্গে, নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন সিপিএম নেত্রী। তিনি বলেন, ' বিহার নির্বাচনে নিয়মভঙ্গ করে বিজেপির জয় হয়েছে। বিজেপি বারবার নিয়মভঙ্গ করলেও নির্বাচন কমিশন কোনও হস্তক্ষেপ করেনি। ভোটের এক মাস আগে টাকা বিলি করেছে বিজেপি এটা সবার জানা। কমিশনকে একাধিকবার অভিযোগ জানানো হলেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।'
বৃন্দা কারাত আরও বলেন, ' SIR করে গরীব মানুষদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার চেষ্টা করছে বিজেপি। আর বাংলায় তৃণমূল - বিজেপি একসঙ্গে প্রতিযোগিতা করে মানুষকে লুটছে। SIR দেখিয়ে চাপ সৃষ্টি করেছে বিজেপি। সঙ্গে জাতপাতের সমীকরণকে কাজে লাগাচ্ছে তারা। বিহারের ফলাফলের নমুনা অবশ্যই বিশ্লেষণ করা হবে। যদি ফলাফল সঠিক থাকে তাহলে নির্বাচন কমিশনের নাম বদলে ভারতীয় জনতা পার্টির কমিশন রাখতে হবে।'
দলকে তার এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন গৌতম দেব
সন্তানকে বাঁচাতে মায়ের আপ্রাণ চেষ্টা, শেষরক্ষা হল না নয়াগ্রামে
ভাঙড়ে মেছো ভেড়ির সালিশি সভায় তুলকালাম, আইএসএফ-এর উপস্থিতিতেই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ
শিলিগুড়ি থেকে মিরিক পর্যন্ত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন
রক্তাক্ত পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র , পলাতক অভিযুক্ত
দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ
ফুটপাথ থেকে দোকান উচ্ছেদ ঘিরে ক্ষোভ বিক্রেতাদের
গ্রেফতারের পর আদালতে নিয়ে যাওয়ার পথে ডিম ছুঁড়লো বিক্ষুব্ধ জনতা
ভিড় সামলাতে মোতায়েন করা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী
পুনর্বাসনের দাবি হকারদের, রুজি-রুটি নিয়ে বাড়ছে অনিশ্চয়তা
অবরোধে স্তব্ধ রাজ্য সড়ক
উদয়ন গুহকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হতে পারে বলে অনুমান
তোলাবাজির অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের
যদিও ইস্তফা দেওয়ার কোনো কারণ জানাননি তৃণমূল নেতা
বুধবার ফুলবাগান থেকে গ্রেফতার করা হয় উদয়ন গুহকে
প্রায় ৭৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ মেগা হাইওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা
একের পর এক আইনি চাপে অভিষেক
৪ বছরেরও বেশি লড়াই, ইতিহাসের পাতায় উঠে এল ইউক্রেন যুদ্ধ
এখনই এক হচ্ছে না কংগ্রেস ও তৃণমূল স্পষ্ট বার্তা কংগ্রেস নেতৃত্বের
৮ হাজার উঁচুতে মানুষের দীর্ঘ লাইন! এভারেস্টের বেহাল দশা দেখে ক্ষোভে ফুঁসছেন শেরপ...