নিউজ ডেস্ক - দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় থাকা আন্তঃরাজ্য শিশুপাচার চক্রের পর্দাফাঁস করল দিল্লি পুলিশ। অভিযানে ৫ সদ্যোজাত শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি চিকিৎসক, দালাল, পাচারকারী, মধ্যস্থতাকারী এবং সম্ভাব্য ক্রেতা-সহ ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দেশজুড়ে। চক্রের সঙ্গে জড়িত আরও কয়েকজনের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
গোটা বিষয়টি সামনে আসে দিল্লির এক সাধারণ নাগরিকের তৎপরতায়। জানা গেছে, পাহাড়গঞ্জ এলাকায় এক মহিলাকে প্রায়ই ভিন্ন ভিন্ন শিশুর সঙ্গে দেখা যেত। প্রতিদিনই তাঁর সঙ্গে নতুন নতুন সদ্যোজাত থাকত বলে দাবি। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় পুলিশকে খবর দেন ওই ব্যক্তি। এরপর মহিলার উপর নজরদারি শুরু করে তদন্তকারীরা। কয়েকদিনের পর্যবেক্ষণের পর শিশুপাচারের সম্ভাবনা স্পষ্ট হয়। তারপর ক্রেতা সেজে অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশ। তদন্তে ধীরে ধীরে সামনে আসে একটি আন্তঃরাজ্য পাচারচক্রের হদিশ।
তদন্তে জানা গেছে, আর্থিকভাবে দুর্বল পরিবারগুলিকে নিশানা করত এই চক্র। মূলত রাজস্থান ও গুজরাটের বিভিন্ন এলাকা থেকে শিশু সংগ্রহ করা হতো। পরে দিল্লি-এনসিআর ও পার্শ্ববর্তী রাজ্যের সন্তানহীন দম্পতিদের কাছে মোটা টাকার বিনিময়ে তাদের বিক্রি করা হত। ছেলে ও মেয়ে শিশুর জন্য আলাদা দামও নির্ধারণ করা ছিল বলে দাবি পুলিশের। জানা গেছে, মেয়ে শিশুদের ৩ থেকে ৫ লক্ষ টাকায় ও ছেলে শিশুদের ৬ থেকে ৮ লক্ষ টাকায় বিক্রি করা হতো। প্রায় ১৫ দিন ধরে নজরদারি চালানোর পর চক্রের মূল সদস্যদের চিহ্নিত করে পুলিশ। এরপর একযোগে অভিযান চালিয়ে ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশের তদন্তে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। শিশুদের নতুন পরিচয় দিতে ভুয়ো নথি তৈরি করা হতো। জাল চিকিৎসা সংক্রান্ত কাগজপত্রও ব্যবহার করা হত। এমনকি ভুয়ো গর্ভাবস্থার নাটক সাজিয়ে হাসপাতালের নথি জোগাড় করার অভিযোগও রয়েছে। একাধিক রাজ্যে ছড়িয়ে ছিল এই চক্রের নেটওয়ার্ক। বিভিন্ন জায়গা থেকে শিশু এনে পরিকল্পিতভাবে ক্রেতাদের হাতে তুলে দেওয়া হত বলে তদন্তকারীদের অনুমান।
পুলিশের দাবি, বেশ কয়েক বছর ধরেই সক্রিয় ছিল এই চক্র। গত কয়েক বছরে ঠিক কতজন শিশুকে পাচার করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, অন্তত ৩০ জন শিশুকে এভাবে বিক্রি করা হয়ে থাকতে পারে। উদ্ধার হওয়া ৫ শিশুর বয়স ৫ দিন থেকে ৪ মাসের মধ্যে। বর্তমানে তাদের নিরাপদ হেফাজতে রাখা হয়েছে। পরিবারের সদস্য বা বৈধ অভিভাবকদের খোঁজ চলছে। পাশাপাশি যেসব দম্পতির কাছে শিশুদের পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল, তাঁদের ভূমিকাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তদন্তকারীদের মতে, এই চক্রের সঙ্গে আরও কয়েকজন জড়িত থাকতে পারে। তাই অভিযান এখনও অব্যাহত রয়েছে।
দুপুর ২টার কিছু পরে তিনি নিজের বাসভবনের উদ্দেশ্যে রওনা দেন
ধর্ষণের পর জোর করে গর্ভপাত! ওপার বাউন্ডারির বিহারে ‘ধর্ষক’কে বিয়ের দাবিতে চাঞ্চল্য
টিকিটবিহীন যাত্রীদের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান! আজ থেকেই কার্যকর রেলের নতুন নির্দেশিকা
শিন্ডে শিবিরে যোগ দেওয়ার জল্পনা! লোকসভার ৯ সাংসদের মধ্যে ৬ জনের অবস্থান ঘিরে বাড়ছে চাপ
শিক্ষামন্ত্রীর অপসারণের দাবিতে থালা-চামচ হাতে বিক্ষোভ! দিল্লিতে কর্মসূচির ডাক ককরোচ জনতা পার্টির
প্রতিরক্ষা রপ্তানিতে নতুন জোয়ার! ফিলিপাইন্সের পর এবার ভিয়েতনামের শক্তি বাড়াতে চলেছে ভারতীয় সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল
লোকসভার স্পিকারের সঙ্গে বৈঠক করেন অভিষেক ব্যানার্জী
মালয়েশিয়া থেকে ভারতে ফেরানো হল ২ খলিস্তানি জঙ্গিকে! পঞ্জাবে নাশকতার মামলায় বড় সাফল্য নিরাপত্তা সংস্থার
জঙ্গি থেকে সাইবার প্রতারক, সকলেরই ভরসা টেলিগ্রাম! দিল্লি হাইকোর্টে বিস্ফোরক দাবি কেন্দ্রের
দানবাক্সের কোটি কোটি টাকা গায়েবের অভিযোগে চাপে রাম মন্দির ট্রাস্ট, তদন্তে নেমেছে বিশেষ দল
নাগপুরের সেই বহুচর্চিত ধর্ষণ ও ধর্মান্তর মামলায় মধ্যপ্রদেশ থেকে ধৃত মৌলবী
গভীর খাদে গাড়ি উল্টে ভয়াবহ দুর্ঘটনা! প্রাণ হারালেন ৭ জন
মমতা ব্যানার্জীর সঙ্গে সম্পর্ক অটুট থাকবে বলে জানান রচনা
প্রশ্নফাঁস রুখতে বড় সিদ্ধান্ত
তরল ওষুধের উৎপাদন ও গুণমান পরীক্ষায় বড়সড় কড়াকড়ি! ১৯৪৫ সালের ড্রাগ আইনে বড় বদল আনল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক
প্রতিরক্ষা রপ্তানিতে নতুন জোয়ার! ফিলিপাইন্সের পর এবার ভিয়েতনামের শক্তি বাড়াতে চ...
বঙ্গোপসাগরে পাকিস্তানের ‘হাঙর’! ভারতের পূর্ব উপকূলে চিনা সাবমেরিনের নয়া চ্যালেঞ্...
মালয়েশিয়া থেকে ভারতে ফেরানো হল ২ খলিস্তানি জঙ্গিকে! পঞ্জাবে নাশকতার মামলায় বড় স...
দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে সতর্ক তেল আবিব! পাকিস্তানের ভূমিকাতেও প্র...
ছেলের স্বপ্নপূরণের সাক্ষী হতে এবার বিশ্বকাপে মা, ভিসা জট কাটাল আমেরিকা