নিজস্ব প্রতিনিধি , উত্তর ২৪ পরগণা - কাটমানির টাকা নেওয়ার অপরাধে পঞ্চায়েত সদস্য স্বামী গ্রেফতার হয়েছেন। এর পরেই উপভোক্তাদের সেই আত্মসাৎ করা অর্থ ফিরিয়ে দিলেন তাঁর স্ত্রী ও দাদা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বসিরহাট ১ নম্বর ব্লকের সাকচুড়া বাগুন্ডি গ্রামে। এর ফলে ঘাসফুল শিবিরের অস্বস্তি অনেকটাই বেড়েছে। অন্যদিকে লভ্যাংশ ফেরত পেয়ে খুশি আমজনতা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ইটিন্ডা ৫৬ নম্বর বুথের তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য হলেন দুলাল দাস। তাঁর বিরুদ্ধে আবাস যোজনার ঘর পাইয়ে দেওয়ার নাম করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ সংগ্রহের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ওঠে। কারও কাছ থেকে ৫ হাজার, অন্য কারও নিকট ১০ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছিল। আবার বেশ কিছু ব্যক্তির কাছ থেকে ১৫ থেকে ২০ হাজার রুপি পর্যন্ত তোলা হয়।

এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে গত ৮ দিন আগে বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা মেম্বারের বাড়িতে চড়াও হন। এরপর সেখানে তুমুল বিক্ষোভ দেখান। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে বসিরহাট থানার পুলিশ অভিযুক্ত দুলাল দাসকে গ্রেফতার করে। বর্তমানে তিনি জেল হেফাজতে রয়েছেন। তবে জনপ্রতিনিধি হাজতে গেলেও ক্ষতিগ্রস্তরা দাবি পূরণে নাছোড়বান্দা ছিলেন।
এই আবহে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বও আশ্বাস দেন বকেয়া মিটিয়ে দিলে মুক্তি দেওয়া হবে ধৃতকে। এর পরেই বুধবার দুর্গতদের নামের তালিকা বের করা হয়। বৃহস্পতিবার রীতিমতো আহ্বান জানিয়ে, টিপসই নিয়ে প্রায় ৫০ জন উপভোক্তার হাতে নগদ অর্থ তুলে দেওয়া হয়। পদ্ম শিবিরের ৫ নম্বর মণ্ডলের সভাপতি টুকাই পাল ও সম্পাদক তপন সরকারের উদ্যোগে এই কাজ সম্পন্ন হয়।
ঘটনা প্রসঙ্গে অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্যের স্ত্রী মীরা দাস জানান, 'আবাস যোজনার ঘর দেওয়ার নাম করে অনেকের কাছ থেকেই টাকা নেওয়া হয়েছিল। আমার স্বামী এখন এই অপরাধে জেলে বন্দি রয়েছেন। গ্রামবাসীরা বলেছেন অর্থ ফিরিয়ে দিলে ওনাকে ছেড়ে দেওয়া হবে। তাই আমরা সেই সমস্ত পুঁজি উপভোক্তাদের হাতে ফেরত দিয়ে দিচ্ছি। বাকিটাও ধাপে ধাপে মিটিয়ে দেওয়া হবে'।
অন্যদিকে ধৃতের দাদা রবিন দাস বলেন, 'আমি বাইরে কাজ করি। বাড়ি ফিরে জানতে পারি অনুজকে পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে। বিজেপির লোকেরা আমাদের বললো জরিমানা মিটিয়ে দিতে পারলে ভালো হয়। তাহলে ভাইকে থানা থেকে বের করার চেষ্টা করা যাবে। সেই মতো আমরা সোনা-দানা বা সম্পত্তি বন্ধক রেখে মানুষের পাওনা মিটিয়ে দিচ্ছি। আমরা চাই ও যেন দ্রুত মুক্তি পায়'।
টাকা ফেরত পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দা বলরাম দাস জানান, 'ঘর দেওয়ার নাম করে আমাদের কাছ থেকে ১০ থেকে ১২ হাজার রুপি আদায় করা হয়েছিল। এখন সেই মূলধন হস্তান্তর করা হচ্ছে। তবে পুরো অঙ্ক একসঙ্গে দেওয়া হচ্ছে না। বকেয়া এখন আধা-আধি করে মিলছে। আমরা প্রাপ্য বুঝে পেয়ে অত্যন্ত সন্তুষ্ট'।
দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ
ফুটপাথ থেকে দোকান উচ্ছেদ ঘিরে ক্ষোভ বিক্রেতাদের
গ্রেফতারের পর আদালতে নিয়ে যাওয়ার পথে ডিম ছুঁড়লো বিক্ষুব্ধ জনতা
ভিড় সামলাতে মোতায়েন করা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী
পুনর্বাসনের দাবি হকারদের, রুজি-রুটি নিয়ে বাড়ছে অনিশ্চয়তা
অবরোধে স্তব্ধ রাজ্য সড়ক
উদয়ন গুহকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হতে পারে বলে অনুমান
তোলাবাজির অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের
যদিও ইস্তফা দেওয়ার কোনো কারণ জানাননি তৃণমূল নেতা
বুধবার ফুলবাগান থেকে গ্রেফতার করা হয় উদয়ন গুহকে
ফুলিয়ায় ছাত্রীদের বিক্ষোভ
মাঝরাতে নদীয়ার কল্যাণীর বড়জাগুলিতে পুলিশের জালে ধরা পড়ে তারা
৫ লক্ষ টাকার বিনিময়ে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ
উদয়ন গুহকে ট্রানজিট রিমান্ডে দিনহাটা নিয়ে যাওয়া হবে
রোগীর কাছ থেকে টাকা তুলে ধৃত কর্মী
প্রায় ৭৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ মেগা হাইওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা
একের পর এক আইনি চাপে অভিষেক
৪ বছরেরও বেশি লড়াই, ইতিহাসের পাতায় উঠে এল ইউক্রেন যুদ্ধ
এখনই এক হচ্ছে না কংগ্রেস ও তৃণমূল স্পষ্ট বার্তা কংগ্রেস নেতৃত্বের
৮ হাজার উঁচুতে মানুষের দীর্ঘ লাইন! এভারেস্টের বেহাল দশা দেখে ক্ষোভে ফুঁসছেন শেরপ...