নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - তারাতলা বহুতল বিপর্যয়ের তদন্তে এবার বড় পদক্ষেপ করল কলকাতা পুলিশের স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম (সিট)। ধৃত কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে সঙ্গে নিয়ে তাঁর বাসভবনে তল্লাশি চালানো হয়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, গুরুত্বপূর্ণ নথি বা বিল্ডিং প্ল্যান সংক্রান্ত তথ্য সেখান থেকে মিলতে পারে। ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
রবিবার দুপুরে আচমকাই কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে সঙ্গে নিয়ে হাওড়ার শিবপুরের দীনু মাস্টার লেন এলাকায় পৌঁছয় সিট। দীর্ঘদিন ধরে বাড়ি সংস্কারের কাজ চলায় কালীচরণ ও তাঁর পরিবার কাছাকাছি একটি ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকতেন। সেই ফ্ল্যাটেই তল্লাশি চালানো হয়। তদন্তকারীদের ধারণা, সেখানে বিল্ডিং প্ল্যান সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নথি বা অন্যান্য তথ্য মজুত থাকতে পারে। যা তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে কাজে লাগতে পারে। সূত্রের খবর, ফ্ল্যাটের দরজা খোলার জন্য তদন্তকারী দলের সঙ্গে একজন চাবিওয়ালাও উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে কালীচরণকে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। কীভাবে বিভিন্ন প্ল্যান অনুমোদন পেত, সেই প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে। অনুমোদনের পর কোনও নজরদারি ব্যবস্থা ছিল কি না, তাও জানতে চেয়েছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি ত্রুটিপূর্ণ প্ল্যান তৈরির সঙ্গে আর কারা জড়িত ছিলেন, সে বিষয়েও খোঁজ চলছে। অভিযোগ, মোটা টাকার বিনিময়ে একাধিক নকশা অনুমোদন করানো হত। সেই আর্থিক লেনদেনের উৎস ও সুবিধাভোগীদেরও চিহ্নিত করার চেষ্টা করছে লালবাজার।
তদন্তকারীদের দাবি, জেরার সময় কালীচরণ বিশেষ সহযোগিতা করেন নি। বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর তিনি এড়িয়ে গিয়েছেন বলে অভিযোগ। প্ল্যান অনুমোদনের ক্ষেত্রে টাকা সরাসরি তাঁর কাছে আসত কি না, নাকি অন্য কারও মাধ্যমে লেনদেন হতো, সেই বিষয়েও স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। এই কারণেই তাঁর ভূমিকা ও প্রভাব সম্পর্কে আরও তথ্য সংগ্রহে জোর দেওয়া হয়েছে। গোয়েন্দাদের অনুমান, শুধু তারাতলার নির্মাণ প্রকল্প নয়, কালীচরণের সুপারিশে আরও একাধিক ত্রুটিপূর্ণ বিল্ডিং প্ল্যান পুরসভার অনুমোদন পেয়েছিল। সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ওই সমস্ত নথির খোঁজেই তাঁর বাড়ি ও ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের জন্য কলকাতা পুরসভার বিল্ডিং বিভাগের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। তদন্তকারী সূত্রের দাবি, কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় দীর্ঘদিন ধরে বিল্ডিং প্ল্যান অনুমোদনের ক্ষেত্রে প্রভাব খাটাতেন। কোন প্ল্যান অনুমোদন পাবে, কোনটি আটকে থাকবে, সে বিষয়ে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। সেই কারণেই তাঁর আর্থিক লেনদেন, যোগাযোগ এবং সুপারিশের নথিপত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তদন্তকারীরা জানতে চান কার নির্দেশে বিভিন্ন প্ল্যান পাশ করা হতো। কিন্তু তাতেও কোনো স্পষ্ট উত্তর দেন নি কালী। সেই প্রক্রিয়ায় আর কারা যুক্ত ছিলেন, তাও খুঁজে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, একটি সংগঠিত চক্রের মাধ্যমে এই কাজ চলত। সেই চক্রের সদস্যদের চিহ্নিত করাই এখন তদন্তের অন্যতম লক্ষ্য। লালবাজারের একাংশের অনুমান, কালীচরণ যদি মুখ খোলেন, তাহলে আরও অনেক তথ্য সামনে আসতে পারে। শুধু তারাতলা কাণ্ড নয়, কলকাতার একাধিক নির্মাণ প্রকল্প সম্পর্কেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলতে পারে। সেই কারণেই ধৃতকে আরও বিস্তারিতভাবে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে যাচ্ছেন তদন্তকারীরা।
এক মামলায় আগাম জামিন, অন্য মামলায় খারিজ আবেদন
ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে দল ছাড়লেন চন্দ্র বসু
আতঙ্কে থানার দ্বারস্থ কলকাতার ব্যবসায়ী
তিন অভিজ্ঞ আইপিএস আধিকারিককে নিয়োগ রাজ্যের
তোলাবাজি ইস্যুতে দলের অবস্থান স্পষ্ট করলেন অগ্নিমিত্রা পাল
বিশেষ সিবিআই টিমের ঘটনাস্থল পরিদর্শন
শশী পাঁজাকে নিয়ে কাকলি ঘোষের মন্তব্যে জল্পনা তুঙ্গে
জানা গেছে বৃহস্পতিবার দিল্লিতে যাচ্ছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়
জইশ জঙ্গিদের নিশানায় মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে উমেশ রাইও
হাইকোর্টকে দ্রুত মামলা নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট
আপাতত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট মামলায় স্বস্তি পেল না কালীঘাট তৃণমূল
অভিন্ন দেওয়ানি বিধির দাবিও জানালেন লেখিকা, 'এক দেশ এক আইন'-এর পক্ষে সওয়াল
ধারালো অস্ত্রের হামলায় মৃত্যু আতাবুদ্দিনের, অভিযুক্তদের খোঁজে পুলিশের তল্লাশি
বিপুল সম্পত্তি ঘিরে তদন্ত তুঙ্গে, পার্কিংয়ের জমিতে সরকারি খাস জমির সন্দেহও
যোগ্য মহিলারা ধাপে ধাপে পাবেন সরকারি সুবিধা
শান্তি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর ফের সংঘর্ষের আবহ, পালটা আক্রমণেও সক্রিয় তেহরান
বঙ্গোপসাগরে ডুবে গেল শরণার্থী বোঝাই দু’টি নৌকা, মৃতদের মধ্যে মহিলা ও শিশুরাও থাক...
দমন-পীড়নের অভিযোগে উত্তাল পাক অধিকৃত কাশ্মীর, পরিস্থিতি সামাল দিতে অতিরিক্ত বাহ...
একটি রেস্টুরেন্টে বসে খাবার খাওয়ার সময় আচমকাই ভেঙে যায় একটি চেয়ার
দুই ভারতীয় নৌকর্মীর মৃত্যু, হরমুজ প্রণালী দিয়ে উদ্বেগ কেন্দ্রের